এবিসিডিই এর গল্পকথা


খ্রীস্টপূর্ব ৩৪০০ অব্দে প্রাচীন মিশরে হায়ারোগ্লিফ/চিত্রলিপি ব্যবহার এর প্রচলন ছিলো। খ্রীস্টপূর্ব ২০০০ অব্দের দিকে বর্ণমালার প্রকাশ ঘটে। বর্ণমালার বিবর্তন এবং জ্ঞান অর্জনের প্রক্রিয়া ধীরে ধীরে আকার নিতে শুরু করলে , এটি তখন আর ব্রাহ্মণ বা উচ্চবর্ণের একচেটিয়া বিষয় হয়ে থাকে না। সাধারণ জনগনের জ্ঞান অর্জন, শেখার আগ্রহ এবং এ থেকে উপার্জনের সমঅধিকার আছে- এ অধিকার তারা বিভিন্ন সমাজ এবং সভ্যতায় দাবী জানায় এবং তা প্রতিষ্ঠা করতে শুরু করে।

ট্যাবলেট, পার্চমেন্টস, স্ক্রোলস, পেপিরাস, কাগজ, বিদ্যুৎ, ডিজিটাল, ইন্টারনেট- বিভিন্ন মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান আমাদের দক্ষ এবং বিশ্বাসী হতে সাহায্য করেছে। ২০২০ সালে হঠ্যাৎ কোভিড-১৯ এর জন্য সব অবস্থা ঝুকির মধ্যে পড়ে যায়। বাসা থেকে অফিস, বাসা থেকে ক্লাস, বাসা থেকে ব্যবসা, বাসা থেকে সংগীত – এসব কিছুই আমাদের অনানুষ্ঠানিকভাবে গৃহবন্দী করে ফেলে।

কাজী রাকিব উদ্দিন আহমেদ

সনাতন চাকুরীর বাজারের সংজ্ঞা বদলে যেতে শুরু করলো। উৎপাদন, সেবা, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, ব্র্যান্ডিং সাপ্লাইচেনের ধরণ পাল্টে যেতে শুরু করলো। একটি ব্যবসার শুরু করার পদ্ধতি পরিবর্তিত হলো, তার সাথে প্রতিযোগীতা এবং দক্ষতাও। নিত্যনতুন উপায়, আধুনিক দক্ষতা এবং পুনর্গঠন ছাড়া আমাদের কাছে এখন আর কোনো উপায় নেই। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সাথে সাথে তত্ত্বীয়, ব্যবহারিক দক্ষতার ও পরিবর্তন ঘটছে।
আমেরিকান বাংলাদেশ সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট এক্সিলেন্স (এবিসিডিই) – এমন এক প্রতিষ্ঠান যা সামগ্রিক বিষয়গুলো কে নিয়ে একসাথে কাজ করে। বর্তমান বিশ্বে, দক্ষতা ছাড়া টিকে থাকা যায় না। সতেজ মন এবং চেতনার অধিকারী একজন মানুষ যেকোনো প্রতিযোগিতার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকে। “সতেজ পরিবেশ শক্তি জোগায়, দক্ষতা কে পুনর্জীবিত করে” ।

এবিসিডিই তারুণ্য, নবায়নযোগ্য শক্তি, পরিবেশবান্ধব প্রকল্প, জীবাণুনাশক পণ্যের বিভিন্ন উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানায়। মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, ভাষা এবং সংস্কৃতি শিক্ষা, আইইএলটিএস, টোফেল, জিআরই, জিম্যাট, জিইডি সহ বিভিন্ন কোর্স সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করে। তাছাড়াও ইউএসএ, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইউকে সহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে তথ্য জানতে সাহায্য করে। দক্ষ মানবসম্পদ যাচাই এবং নির্বাচনের সর্বসিদ্ধ বৈজ্ঞানিক সূত্র R3 = Rakib’s Recruitment Rule সম্পর্কে বাস্তবিক ধারণা এবং প্রশিক্ষণ পেতে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা কর্মীদের জন্য – এবিসিডিই এক অনন্য সুযোগ।
এবিসিডিই বিশ্বাস করে – প্রত্যেকের মাঝে প্রতিভা আছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক সময়ে, সঠিক পথপ্রদর্শকের দ্বারা তার পরিচর্যা করা। প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন উন্নয়নের ধারাই পারে একটি প্রতিষ্ঠানকে সৃজনশীল এবং প্রাণবন্ত করে রাখতে এবং এবিসিডিই তার অন্যতম সহায়ক প্রতিষ্ঠান।

একটি উদ্দেশ্য নিয়ে যখন আমরা সামনে এগোই এবং আমাদের ক্ষমতায়ন করা হয় সম্পূর্ন ভাবে তখন কর্ম ক্ষমতা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার চেয়ে শতগুন বেড়ে যায় তা আমাদের সুফল বয়ে আনতে বাধ্য। সংক্ষেপে এ সেটি Purpose, People, Power, Performance, Profit – এই পাঁচ P কে সাথে নিয়ে এবিসিডিই মানবসম্পদ উন্নয়নে ভুমিকা রাখতে এগিয়ে চলছে।

সতেজ বাতাস আমাদের নিশ্বাসে সাহায্য করে, ঠিক তেমনি সতেজ মন সাহায্য করে শুদ্ধ চিন্তা করতে- আর শুদ্ধ চিন্তা এবং সতেজ নিশ্বাস সৃজনশীলতা কে পরিপূর্ণতা প্রদান করে। এই এগিয়ে চলার পথে এবিসিডিই হোক আপনার একমাত্র বন্ধু।

“লক্ষ্যে স্থির থেকে ডানা মেলে দাও”